মূল কনটেন্টে যান
স্বাধীন তথ্য প্ল্যাটফর্ম — এটি বাংলাদেশ সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নয় · Independent platform, not affiliated with the Government of Bangladesh
NagorikSheba — নাগরিকসেবা

ট্যুরিস্ট ভিসা আবেদন — বাংলাদেশি পাসপোর্টে কাগজপত্র ও ধাপ

Tourist visa application from Bangladesh

এটি বেসরকারি/ব্যক্তিগত সেবা বিষয়ক তথ্য — কোনো সরকারি সেবা নয়। লেনদেনের আগে প্রতিষ্ঠান ও কাগজপত্র নিজে যাচাই করুন; প্রয়োজনে আইনজীবী/বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

এই পেজের তথ্য এখনো official source-এর সাথে চূড়ান্তভাবে যাচাই সম্পন্ন হয়নি। তারিখ, ফি ও নিয়ম সবসময় official নোটিশে মিলিয়ে নিন। উৎস: mofa.gov.bd

সংক্ষিপ্ত উত্তর

প্রায় সব দেশের ট্যুরিস্ট ভিসায় একই ধরনের কাগজ লাগে: বৈধ পাসপোর্ট ও পুরনো পাসপোর্ট, নির্ধারিত মাপের ছবি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট, পেশার প্রমাণ (চাকরির NOC বা ট্রেড লাইসেন্স), হোটেল ও ফ্লাইট বুকিং এবং ভ্রমণসূচি। আবেদন জমা হয় দূতাবাস বা তাদের অনুমোদিত ভিসা সেন্টারে — দালালের মাধ্যমে নয়।

পাসপোর্ট গাইড →পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় — বিদেশে বাংলাদেশ মিশন

ধাপে ধাপে

  1. 1গন্তব্য দেশের দূতাবাস বা অফিসিয়াল ভিসা সাইটে ভিসার ধরন (Tourist/Visit) ও কাগজের তালিকা দেখুন
  2. 2পাসপোর্টের মেয়াদ (সাধারণত ৬ মাস+) ও আগের ভ্রমণের ভিসা-স্ট্যাম্প গুছিয়ে নিন
  3. 3ব্যাংক থেকে সাম্প্রতিক মাসগুলোর স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট নিন
  4. 4চাকরিজীবী হলে অফিসের NOC ও বেতনের প্রমাণ, ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স ও TIN/রিটার্নের কপি রাখুন
  5. 5রিটার্ন টিকিট ও হোটেল বুকিং (অনেক দেশে কনফার্মড টিকিট লাগে না, বুকিং-ই যথেষ্ট) এবং দিনভিত্তিক ভ্রমণসূচি তৈরি করুন
  6. 6অনলাইন ফর্ম পূরণ করে ভিসা সেন্টারে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন, ফি দিন ও প্রয়োজনে বায়োমেট্রিক দিন
  7. 7আবেদনের রসিদ দিয়ে অনলাইনে স্ট্যাটাস দেখুন; পাসপোর্ট ফেরত নেওয়ার সময় ভিসার তথ্য মিলিয়ে নিন

ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিয়ে যা জানা জরুরি

  • দূতাবাস দেখে টাকা কোথা থেকে আসে — আবেদনের ঠিক আগে হঠাৎ বড় অঙ্ক জমা করলে সন্দেহ বাড়ে
  • স্টেটমেন্টে ব্যাংকের সিল ও স্বাক্ষর থাকা দরকার; সলভেন্সি সার্টিফিকেট আলাদা কাগজ
  • পরিবারের কেউ খরচ দিলে sponsorship letter ও তার স্টেটমেন্ট লাগতে পারে

ভিসা প্রত্যাখ্যানের সাধারণ কারণ

  • কাগজে তথ্যের অমিল (নাম, পেশা, আয়)
  • দেশে ফেরার পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই (চাকরি, ব্যবসা, পরিবার, সম্পদ)
  • ভুয়া হোটেল বুকিং, ভুয়া NOC বা জাল ব্যাংক কাগজ — এতে ভবিষ্যতের আবেদনও ঝুঁকিতে পড়ে

সতর্কতা

  • "নিশ্চিত ভিসা" বা "দূতাবাসে লোক আছে" — এমন প্রতিশ্রুতি দিলে এড়িয়ে চলুন
  • ফি দিন শুধু ভিসা সেন্টার/দূতাবাসের নির্ধারিত মাধ্যমে, রসিদ নিন

সম্পর্কিত: ভ্রমণসূচি তৈরি · ভ্রমণের খরচ ও ডলার এনডোর্সমেন্ট

ভিসা, প্রবেশের নিয়ম, ফি ও ভ্রমণ কর সময়ে সময়ে বদলায় — আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট দূতাবাস/ভিসা সেন্টার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ নোটিশ মিলিয়ে নিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ভিসার জন্য ব্যাংকে কত টাকা থাকতে হয়?

নির্দিষ্ট কোনো সর্বজনীন অঙ্ক নেই — দেশ, ভ্রমণের দিন ও খরচের ওপর নির্ভর করে। দূতাবাস দেখে আপনার ঘোষিত খরচ বহনের সামর্থ্য আছে কিনা এবং টাকার উৎস নিয়মিত কিনা।

ভিসা আবেদনে কনফার্মড বিমান টিকিট লাগে?

অনেক দেশ শুধু বুকিং/রিজারভেশন চায়, কনফার্মড টিকিট চায় না। দূতাবাসের তালিকায় যা চাওয়া আছে তাই দিন — ভিসা না পেলে ফেরতযোগ্য নয় এমন টিকিট আগে কেনা ঝুঁকিপূর্ণ।

ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলে আবার আবেদন করা যায়?

সাধারণত যায়। প্রত্যাখ্যানের চিঠিতে কারণ থাকলে সেটা ঠিক করে নতুন আবেদন করুন; একই দুর্বল কাগজ দিয়ে আবার আবেদন করলে ফল একই হতে পারে।

সম্পর্কিত

নাগরিকসেবা একটি স্বাধীন তথ্য প্ল্যাটফর্ম। এটি বাংলাদেশ সরকারের সাথে সম্পৃক্ত নয়, সরকার কর্তৃক পরিচালিত নয় এবং সরকারিভাবে অনুমোদিতও নয়।