ফ্ল্যাট কেনার আগে যে ১০টি কাগজ ও বিষয় যাচাই করবেন
এটি বেসরকারি/ব্যক্তিগত সেবা বিষয়ক তথ্য — কোনো সরকারি সেবা নয়। লেনদেনের আগে প্রতিষ্ঠান ও কাগজপত্র নিজে যাচাই করুন; প্রয়োজনে আইনজীবী/বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সংক্ষিপ্ত উত্তর
ফ্ল্যাট কেনার আগে জমির মালিকানা, নকশা অনুমোদন, ডেভেলপারের সাথে জমির মালিকের চুক্তি, দায়মুক্ততা ও হস্তান্তরের শর্ত লিখিতভাবে যাচাই করুন।
ধাপে ধাপে
- 1জমির মূল দলিল, বায়া দলিল ও হালনাগাদ নামজারি খতিয়ান দেখুন।
- 2জমির মালিক ও ডেভেলপারের মধ্যে নিবন্ধিত চুক্তি ও আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) যাচাই করুন।
- 3ভবনের অনুমোদিত নকশা মিলিয়ে দেখুন — কয় তলার অনুমোদন, আপনার ফ্ল্যাট নকশায় আছে কিনা।
- 4জমি/প্রকল্প কোনো ব্যাংকে বন্ধক বা মামলায় আছে কিনা খোঁজ নিন।
- 5ফ্ল্যাটের আয়তন (কার্পেট বনাম মোট/কমন স্পেস) লিখিতভাবে নিন।
- 6পেমেন্ট শিডিউল, হস্তান্তরের তারিখ ও দেরির জরিমানা চুক্তিতে রাখুন।
- 7বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সংযোগ ও পার্কিংয়ের শর্ত নিশ্চিত করুন।
- 8রেজিস্ট্রেশনের আগে মোট খরচ (স্ট্যাম্প শুল্ক, নিবন্ধন ফি, কর) হিসাব করুন।
- 9সব টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে দিন এবং রশিদ রাখুন।
- 10রেজিস্ট্রেশনের পর নিজের নামে নামজারি করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
ফ্ল্যাট রেজিস্ট্রেশনে কত খরচ হয়?
স্ট্যাম্প শুল্ক, নিবন্ধন ফি, স্থানীয় সরকার কর ও উৎসে আয়কর মিলিয়ে খরচ হয় — হার এলাকা ও মূল্যভেদে ভিন্ন এবং বাজেটে বদলাতে পারে। সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বা আইনজীবীর কাছ থেকে হিসাব নিন।
নামজারি কেন জরুরি?
নামজারি ছাড়া সরকারি রেকর্ডে আপনি মালিক হিসেবে থাকবেন না; পরবর্তী বিক্রি, ঋণ বা উত্তরাধিকারে সমস্যা হয়।
সম্পর্কিত
নাগরিকসেবা একটি স্বাধীন তথ্য প্ল্যাটফর্ম। এটি বাংলাদেশ সরকারের সাথে সম্পৃক্ত নয়, সরকার কর্তৃক পরিচালিত নয় এবং সরকারিভাবে অনুমোদিতও নয়।